ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি

ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের কাছে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে গুলি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় একজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদন মতে, স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে হোয়াইট হাউস থেকে এক ব্লক পরে হামলার ঘটনা ঘটে। ওয়াশিংটন ডিসি মেয়র মুরিয়েল বাউসার এটাকে ‘পরিকল্পিত গুলি’র ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এফবিআই) পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ ঘটনায় একাধিক সংস্থা তদন্তে অংশ নিচ্ছে। গুলির ঘটনাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা জেফ্রি ক্যারল জানান, হামলাকারী একজনই। ঘটনাস্থলেই তাকে গুলিবিদ্ধ করা হয়েছে। তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। তাকে ‘খুব চড়া মূল্য’ দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

হামলার ঘটনার সময় ফ্লোরিডায় থাকা ট্রাম্প আরও বলেন, অভিযুক্ত বন্দুকধারী একজন আফগান নাগরিক যিনি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম রহমানউল্লাহ লাকামাল বলে জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তাকে ‘আফগানিস্তান থেকে আসা একজন ক্রিমিনাল’ বলে অভিহিত করেছে। তবে তিনি বৈধ না কি অবৈধ ছিলেন তা অস্পষ্ট করেনি প্রতিষ্ঠানটি।

সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর বিশেষ অভিবাসন সুরক্ষার অধীনে কয়েক হাজার আফগান যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিল। এদের ব্যাপারে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এখন বাইডেনের অধীনে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা প্রত্যেক বিদেশিকে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।’

সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিনি ও তার স্ত্রী জিল ‘মর্মাহত’। তিনি এক এক্স পোস্টে লিখেছে, ‘যেকোনো ধরণের সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য, এবং আমাদের সকলকে এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। আমরা সেনা সদস্য এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি।’

এখন সহিংসতার নিন্দা জানালেও বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে বরাবরই এই ধরনের সহিংসায় ইন্ধন যুগিয়েছেন। তিনি যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধের তহবিল হিসেবে ইসরাইলকে ১৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ প্রদান করেছিলেন।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular