চবি প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন ফি কমানো, পোষ্য কোটা বাতিল, চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনসহ ৯ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা বাতিল ও ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি ২০০ টাকা নির্ধারণসহ ৯ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার চবি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে এ মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তাদের ৯ দফা দাবি পেশ করেন।
দাবিগুলো হচ্ছে – ভর্তি আবেদন ফি ২০০ টাকা করতে হবে। পোষ্য কোটাসহ সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা চালু করতে হবে। বন্ধ হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের আর্থিক অবস্থা, বাড়ির দূরত্ব এবং মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ ও অতিদ্রুত নতুন দুইটি হল নির্মাণ করতে হবে। এবং কটেজের শিক্ষার্থীদেরও হলের মেস এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল এক্সট্রা কারিকুলার সংগঠনসমূহকে অফিস বরাদ্দ দিতে হবে। অনতিবিলম্বে টিএসসি নির্মাণ করতে হবে। অতি দ্রুত চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল প্রদান ও অনলাইনে রেজাল্ট প্রকাশসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড অনলাইনভিত্তিক করতে হবে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গুপ্তহামলার সুষ্ঠু বিচার ও ক্যাম্পাসে এবং শাটল ট্রেনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে নারী অঙ্গনের সদস্য সুমাইয়া শিকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এখনও বিজ্ঞপ্তিতে পোষ্য কোটা রয়েছে।সেই সাথে আবেদন ফি ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটা কখনও যৌক্তিক হতে পারে না। বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশে কোটার বৈষম্য থাকতে পারে না। আমরা প্রশাসনের সাথে পোষ্য কোটা বাতিলের বিষয়ে কথা বলেছি। কিন্তু তাদের থেকে এখন পর্যন্ত ইতিবাচক ফিডব্যাক পাওয়া যায়নি। প্রশাসন যদি পোষ্য কোটা বাতিলের ব্যাপারে পদক্ষেপ না নেন তাহলে আমাদের আন্দোলন আরও কঠোর হবে।
বাংলাদেশ ছাত্র মজলিস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাকিব মাহমুদ রুমি বলেন, সকল প্রকার বৈষম্য দূর করার জন্যই চব্বিশের বিপ্লব হয়েছে। নতুন এই বাংলাদেশে কোন কোটার বৈষম্য আমরা মানতে পারি না। তাই অবিলম্বে পোষ্য কোটা বাতিল করতে হবে। এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি ২০০ টাকা নির্ধারণ করে আমাদের ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।



