• ঢাকা
  • রবিবার, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৬ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

সেন্টমার্টিন-শাহপরীর দ্বীপে ভেঙেছে গাছ-পালা ও ঘরবাড়ি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:০১ পিএম
সেন্টমার্টিন-শাহপরীর দ্বীপে
ভেঙেছে গাছ-পালা ও ঘরবাড়ি

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় রিমাল প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলীয় কয়েকটি এলাকা। এরই মধ্যে টেকনাফ উপজেলা শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপের ৫০০ বাড়িঘর উড়ে গেছে, ভেঙে গেছে গাছপালা। এছাড়া সমুদ্রের পানি বৃদ্ধির কারনে দ্বীপের চারপাশের ভাঙান ধরেছে। এছাড়া শাহপরীর দ্বীপে পশ্চিম বাঁধের দেড় কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

সোমবার দুপুরে রবিবার এসব তথ্য জানিয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, 'ঘূর্ণিঝড় রিমাল প্রভাবে সমুদ্রে পানির বৃদ্ধির কারনে দ্বীপের ডেইল পাড়া, পশ্চিম পাড়া, দক্ষিণ পাড়া, পূর্ব পাড়ার কিছু অংশ সমুদ্রে তলিয়ে গেছে। এছাড়া দেড়শ ঘরবাড়িসহ বিপুল পরিমান গাছ পালা ভেঙে গেছে।' 

তিনি বলেন, 'কিছু ঘরবাড়ি পুরোপুরি, কিছু আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ১৫ মাছ ধরার ট্রলার ভেঙে গেছে। 
এখনও বাতাস বইছে, কোথাও কোথাও গাছপালা ও কাঁচা বাড়িঘর ভেঙে গেছে। তবে জলোচ্ছ্বাস হয়নি। তবে সকালে বৃষ্টি কমলেও বাতাসের গতি বেড়েছে।'


দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, ঘুর্ণিঝড় প্রভাবে গত দুইদিনে   বৃষ্টি ও সমুদ্রের স্রোতে দ্বীপের কোনারপাড়া, পশ্চিমপাড়া, দক্ষিণপাড়া ও উত্তরপাড়ায় ভাঙন ধরেছে। এতে দ্বীপের বসতি, কেয়াবাগান, নারিকেল বাগান, নিশিন্দা বাগানসহ গাছগাছালি ভেঙে পড়ে গেছে। এছাড়া দ্বীপের তীরে গড়ে ওঠা হোটেল-মোটেলের অংশ ভাঙান ধরেছে। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে দ্বীপ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

দ্বীপের স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ নোমান বলেন, ‘সমুদ্রের স্রোতে দ্বীপের কয়েকটি অংশে ব্যাপক ভাঙন ধরেছে। স্মরণকালের ভয়াবহ ভাঙন এটি। তাছাড়া ২০০ বছর আগে এ দ্বীপে বাসিন্দা ছিল মাত্র ১৩ জন। বর্তমানে ৯ হাজারের বেশি মানুষ এখানে বসবাস করছেন। তার ওপরে গড়ে উঠেছে অবৈধ হোটেল-মোটেল।  দ্বীপ নিচের দিকে দেবে সমুদ্রের স্রোতে ভেঙে যাচ্ছে। এই দ্বীপকে রক্ষা করতে হলে জরুরী ভিত্তিতে চারদিকে বাধেঁর কোন বিকল্প নেই। এছাড়া বৃষ্টি ও বাতাসে বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও গাছপালা ভেঙে গেছে। 

এদিকে সাবরাংয়ে ঘরবাড়ি চেয়ে লবন চাষীরা ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফর সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন। তিনি দাবি করেন, 'ঘূর্ণিঝড় রিমাল প্রভাবে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমের বেড়ি বাঁধ এবং মেরিন ড্রাইভের একটি অংশ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার এলাকায় সব মিলিয়ে তিনশ ঘরবাড়ি ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমান সুপারী গাছ ভেঙে গেছে। এছাড়া আমার এলাকার ৩'শ ঘরবাড়ির মধ্য পুরোপুরি, কিছু আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ সাফকাত আলী বলেন, ‘সকাল থেকে বৃষ্টি কমলেও বাতাস এখনো টেকনাফ উপজেলায় বইছে। এতে সেন্টমার্টিন-শাহপরীর দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালা ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা কোন কোন এলাকয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সোগুলো তথ্য সংগ্রহ করছি। এছাড়া চিংড়ী ঘের ও লবন চাষীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image