• ঢাকা
  • সোমবার, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২২ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

ভৈরব গণহত্যা দিবস


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১১:০৪ এএম
১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ
ভৈরব গণহত্যা দিবস

সোহানুর রহমান সোহান, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ): ভৈরবের গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে পান্নাউল্লাহচর নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাাউল্লাহচর ও নরসিংদী জেল্ওা বেলাব উপজেলার সরলাবাদ ইউনিয়নের আলগড়া এলাকায় ইতিহাসের এ র্ববরাচিত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। এদিন খেয়া পারাপারের সময় নিরস্ত্র অসহায় মানুষজনের উপর নির্বিচারে ব্র্শাফায়ারে নারী পুরুৃষ শিশুসহ আনুমানিক দুইশতাধিক মানুষ  সেদিন মৃত্যুবরণ করেছিলেন ।

পাক হানাদার বাহিনীর ভয়ে সেদিন আপন জনের লাশটি পর্যন্ত ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী দাফন করতে পারেনি নিহতের স্বজনেরা ল্শাগুলো ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অভয় প্রান্তে গণকবর দেওয়া হয় । সাম্প্রাতিক  কালে ভৈরব প্রান্তে সেই বধ্যভূমিটিতে মহান শহীদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ  নির্মাণ করা হয়েছে সরকারি খরচে কিন্তু স্বাধীনতার ৫২ ব্ছর পেরিয়ে গেলেও সেইসব শহীদদের সঠিক তালিকা করা হয়নি আজও । তাদের পরিবারগুলো পায় না শহীদেও প্রাপ্য মর্যাদা । বধ্যভ’মিতে চলাচলের রাস্তাটিও বেহাল দশা কবে যে, এই রাস্তায় পিচের আস্তরণ পে রছিল কেউ বলতে পারে না । আর রাস্তাটি র্দীঘদিন ধরে বেহাল দশা  হওয়্য়া বিভিন্ন  জাতীয় দিবসে বয়সের ভারে নুয়ে পড়া জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা নানা রকম সমস্যায় পড়তে হয় ।

এছাড়াও কেবল মাত্র জাতীয় দিবস আসলেই সংস্কার করা হয় বধ্যভূমিটি সারা বছর  পরে থাকে অযত্মে আর অবহেলায় । তাই সেখানে তৈরি হয়েছে ঝোপ-ঝার ও মাদক সেবীদের আখড়া । এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীসহ নিহতদের রয়েছে ক্ষোভ । মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ৩ নং সেক্টরের গ্রুপ কমান্ডার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিদ্দিকুর রহমান সেন এর সহর্ধমিনী সেদিনে প্রতক্ষ্য স্বাক্ষী নূরজাহান বেগম জানান, ভৈরবে প্রথম হানাদার বাহিনী পা রাখে ১৯৭১ সালের ১৪ এপ্রিল । সেদিন ছিল পহেলা বৈশাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলছিল হালখাতার প্রস্তুতি হটাৎ করেনৌ পথ রেল পথ ও আকাশ পথে পাক সেনারা নির্মম হামলা চলাতে শুধু করে  মূর্হুতে পরিবেশ অন্য রকম আকার ধারণ করে । এদিকে হেলিকপ্টার থেকে পাকিস্তানী ছাত্রীসেনাদর কয়েক ভাগে বিভক্ত হতে থাকে । তাদের ভয়ে প্রাণ  বাচাঁতে বাড়ি-ঘর ছাড়তে থাকে মানুষজন ।

এ দিকে ১৯৭১ সালে পানাউল্লাহচরে আনুমানিক দুই শতাধিক নারী পুরুষ শিুশুকে নির্মম ভাবে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয় । এত বছর পর সেই স্মৃতিগুলো আজও ভয়ে কলিজা কেঁপে উঠে । এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইএনও) মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ জানান, ভৈরব গণ হত্যা দিবস উপলক্ষে বিকালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্ববক অর্পণের মাধ্যমে শহীদের শ্রদ্ধা জানানো হবে । এবং রমজান মাস হওয়ায় আমরা তেমন কোনো প্রস্তুতি নিচ্ছি না গণহত্যা দিবসে আর আমাদের কাছে শহীদের আংশিক তালিকা আছে তবে পূণ্র্ঙ্গা তালিকা নেই । সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে দেখব পূর্ণাঙ্গ সঠিক তালিকাটি আছে কি না ।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image