• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

হাওরে নির্মিত হচ্ছে পাকা সেতু, খুলছে যোগাযোগের নতুন দুয়ার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০২:০১ পিএম
খুলছে যোগাযোগের নতুন দুয়ার
হাওরে নির্মিত হচ্ছে পাকা সেতু

মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: আরও একটি স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে হাওর বাসীর কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসির নগর উপজেলাকে যুক্ত করে নির্মিত হচ্ছে ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু। দুই জেলার দুর্গম জনপদকে যুক্ত করে মেঘনার বুকে গড়ে উঠেছে বিশালায়তনের পাকা সেতু। 

সেতুর কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।এরই মধ্যে সেতুর ২৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। পৌনে ২০০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণাধীন সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হলে নাসির নগর হয়ে সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগের পথ সুগম হবে হাওর বাসীর।অষ্টগ্রামের বাঙ্গাল পাড়ায় দুই জেলাকে যুক্ত করে মেঘনা নদীতে একটি সেতুর অভাবে হাওর বাসীকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হত।

বর্ষায় নৌকা ছাড়া যোগাযোগের কোনো বিকল্প ছিল না হাওর বাসী বিড়ম্বনা দূর করতে বাঙ্গাল পাড়া ইউনিয়নে নোয়াগাঁও এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসির নগর উপজেলার চাতলপাড় নতুন বাজার এলাকায় মেঘনা নদীতে পাকা সেতু নির্মাণে উদ্যোগ নেয় সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে হাওরে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেএে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। গতি আসবে অর্থনীতিতে,সেই সঙ্গে বাড়বে হাওরে মানুষের জীবন যাএার মান।এলাকাবাসী জানায়,হাওরে দুর্গম এলাকা হওয়ায় জেলা শহর কিংবা ঢাকা শহরে যাএায়ত করতে হলে লঞ্চ বা ট্রলারে একদিন রাত যাপন করে পরের দিন গ্রামে আসতে হত।

সেতুটি নির্মাণ হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়কপথে সারা বছর যোগাযোগ করা যাবে।এর ফলে হাওরের কৃষি পণ্য ও মিটা পানির মাছের ন্যায্য মূল্য পেতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৪ ই মে ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণ কাজ যৌতভাবে উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ -৪ আসনের এমপি রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার -১ আসনের এমপি বদরুদ্দোজা মো: ফরহাদ হোসেন।

জেলা সবচেয়ে বড় এ পাকা সেতু প্রকল্পে রয়েছে ২৪ টি এবাটমেন্ট পাইল,২৪৬ টি পিয়ার পাইল,দুটি এবাটমেন্ট ক্যাপ,২৬টি পিয়ার পাইল ক্যাপ,২ টি এবাটমেন্ট ক্যাপ,৪০ টি গার্ডার পিএসপি ৬৪ টি গার্ডার  আরসিসি এবং ২৭ টি স্লাব। 

প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার বুলবুল জানান,দ্রুত গতিতে সেতুর কাজ চলছে।এই মধ্যে অষ্টমতম অংশের সবগুলো পাইলের কাজ প্রায় শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আমিরুল ইসলাম জানান,এরই মধ্যে অষ্টগ্রাম অংশে ৮০ টি পাইল ও ৫ টি  পিয়ার সহ সেতুর ২৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। হাওর বাসী এই স্বপ্নের সেতুটি বাস্তবায়ন হলে অলওয়েদার সড়ক হয়ে সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে। 

দ্রুত গতিতে চলছে ব্রীজের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে সেতুর কাজ শেষ হবে। ১৭৭ কোটি ২৩ লাখ ৫১ হাজার ১০৮ টি টাকা ব্যায়ে ১ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঙ্গাল পাড়া চাতলপাড় পাকা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। 

আগামী বছরের ১৫ অক্টোবর প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ইটনা- মিঠামইন - অষ্টগ্রাম ৩৫ কিলোমিটার অলওয়েদার সড়ক নির্মিত হওয়ার পর কিশোরগঞ্জের হাওরের দৃশ্যপট বদলে গেছে। 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image