• ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২৯ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

সাতক্ষীরায় ৩৮২ কোটি টাকার ডিমের বাজার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০২:২৮ পিএম
অনন্যা পোলট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী
অনন্যা পোলট্রি ফার্ম

নিউজ ডেস্ক:  চিংড়ি ও আমের জন্য বিখ্যাত সাতক্ষীরা জেলায় বছরে ৩৮২ কোটি টাকার ওপরে ডিমের বাজার রয়েছে। সে হিসেবে প্রতিদিন ১ কোটি ৪ লাখ টাকার ওপরে ডিমের বাজার রয়েছে। জেলায় নিবন্ধিত খামারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। এ খামারগুলোতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উৎপাদন বেশি হচ্ছে। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের ডিম উৎপাদনকারী খামারি অনন্যা পোলট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী অরবিন্দু কুমার জানান, তার খামারে দৈনিক ১১ থেকে সাড়ে ১১ হাজার ডিম উৎপাদন হয়। সেখানে ১৩ হাজার ডিম পাড়া মুরগি রয়েছে। এর মধ্যে ১১ থেকে সাড়ে ১১ হাজার মুরগি ডিম দিচ্ছে। এসব ডিম স্থানীয় পাইকাররা তার খামার থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে যান। প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ টাকার ডিম বিক্রি হয় তার খামারে। প্রতি ডিম পাইকারি দামে পাচ্ছেন ৯ টাকা ২০ পয়সা করে। তিনি আরো বলেন, মুরগির খাদ্য ও পরিচর্যা বাবদ দৈনিক উৎপাদন খরচ হয় ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। প্রতি মাসে তার মুনাফা থাকে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। 

সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারি ডিম ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. হাফিজুল ইসলাম জানান, ফার্ম ও অন্যান্য ডিমের চাহিদা বারো মাসই থাকে। সপ্তাহে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার ডিম বিক্রি হয় তার প্রতিষ্ঠানে। তবে চাহিদা তার চেয়ে বেশি। অনেক সময় চাহিদা মেটাতে রাজশাহী বা পাবনা থেকেও ডিম সংগ্রহ করতে হয় তার। তিনি আরো জানান, বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ফার্মের ডিম প্রতি হালি ৩৬ থেকে ৩৮ টাকা, হাঁসের ডিম ৫২ থেকে ৫৪ ও দেশী জাতের ডিম প্রতি হালি ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডাক্তার এবিএম আব্দুর রউফ জানান, জেলার প্রায় তিন হাজার ফার্মে ডিম উৎপাদন হয়। এ খামারগুলোতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উৎপাদন বেশি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‌চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারিভাবে জেলায় ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৪২ কোটি ৫০ লাখ, যা গত মার্চ পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ৪২ কোটি ৫৭ লাখ। বছরের তিন মাস বাকি রেখেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘‌এসব ডিম উৎপাদনকারী খামারিরা আগামীতে যাতে আরো ভালো করতে পারে সে লক্ষ্যে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সবধরনের সহাযোগিতা করা হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে উৎপাদিত ৪২ কোটি ৫০ লাখ ডিমের বর্তমান বাজারমূল্য ৩৮২ কোটি টাকার ওপরে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আরো পড়ুন

banner image
banner image