• ঢাকা
  • শনিবার, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২০ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

আখাউড়া স্থলবন্দর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ২০ মে, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:৫৭ পিএম
দুদকের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম বাদী
দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলা

নিউজ ডেস্ক:  অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরের সাবেক ট্রাফিক পরিদর্শক আবদুল কাদের জিলানীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামি আবদুল কাদের জিলানী বর্তমানে বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত। তিনি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। 

রোববার (১৪ মে) দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, আবদুল কাদের জিলানী ২০১৬ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত  আখাউড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক পদে দায়িত্ব পালনকালে বন্দরের ২২ হাজার ৮৯০টি গাড়ি প্রবেশ করে। এর মধ্যে তিনি ১১ হাজার ৯৮৩টি গাড়ি প্রবেশের তথ্য রেজিস্টারে এন্ট্রি করেন এবং ১০ হাজার ৯০৭টি গাড়ি প্রবেশের তথ্য এন্ট্রি না করে ১২ লাখ ৬২ হাজার ৯০২ টাকা সংশ্লিষ্ট তহবিলে জমা না দিয়ে আত্মসাত করেন। 

২০২১ সালের ১০ নভেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আলতাফ হোসেনকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধানে তিনি অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ওই ট্রাফিক পরিদর্শকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশসহ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করেন। 

পরবর্তীতে মো. আলতাফ হোসেন অবসরে যাওয়ায় চলতি বছরের ১১ এপ্রিল সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলমকে ওই ট্রাফিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত কর্মকর্তা আবদুল কাদের জিলানী বলেন, কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় মামলা করে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং আমি ওই টাকা জমা দিয়েছি। বিভাগীয়ভাবে অভিযোগ নিষ্পত্তি হওয়ার পর এখন নতুন করে দুদকের মামলার বিষয়টি আমার বোধগম্য নয়।
  
দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফজলুর রহমান বলেন, আখাউড়া স্থলবন্দরের সাবেক ট্রাফিক কর্মকর্তা আবদুল কাদের জিলানীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৪৭ সালের ‘দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে’র ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আরো পড়ুন

banner image
banner image