ঢাকা  শুক্রবার, ১০ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলাশততম ম্যাচে জয়ের হাসি মিমো-সিতুলের

শততম ম্যাচে জয়ের হাসি মিমো-সিতুলের

ক্রীড়া ডেস্ক: শুরুটা ছিল হতাশার। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫–০, এরপর স্বাগতিক জাপানের কাছে ৬–১ গোলের হার। দুই ম্যাচে ১১ গোল হজম করে বাংলাদেশের হকি শিবিরে যখন চাপটা বাড়ছিল, তখনই ঘুরে দাঁড়ানোর উপলক্ষ হয়ে এল শ্রীলঙ্কা। আর সেই ম্যাচেই মিলল কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি।

নাগোয়ার অদূরের আরেক শহর গিফুতে বৃহষ্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) একতরফা লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৫–১ গোলে উড়িয়ে ২০তম এশিয়ান গেমসে প্রথম জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ।

গত এপ্রিলে এই দলের বিপক্ষেই ২০ বছর পর হারের বেদনায় পুড়েছিল বাংলাদেশ। তবে আজ শুরু থেকেই শ্রীলঙ্কাকে চাপে রাখে রোমান সরকারের দল। আক্রমণের পর আক্রমণে ব্যস্ত করে রাখে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ।

প্রথম কোয়ার্টারেই আমিরুল ইসলামের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও আক্রমণের ধার ধরে রেখে ব্যবধান বাড়ায় লাল-সবুজরা। গোলের সঙ্গে বাংলাদেশের আধিপত্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ পেনাল্টি কর্নার। পুরো ম্যাচে ১৫টির বেশি পেনাল্টি কর্নার আদায় করে বাংলাদেশ।

একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও অবশ্য সবগুলো কাজে লাগানো যায়নি। তবে গোলের ক্ষুধায় কমতি ছিল না। আমিরুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম করেন দুটি করে গোল। একটি গোল আসে মাহবুব হোসেনের স্টিক থেকে।

শ্রীলঙ্কা একবার ব্যবধান কমিয়েছিল। কুশলের গোলে ১–৩ হয়েছিল স্কোরলাইন। কিন্তু সেটি ছিল সাময়িক স্বস্তি। বাংলাদেশের আক্রমণের তোড়ে আবারও দিশেহারা হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার রক্ষণ। শেষ পর্যন্ত ৫–১ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

জয়ের এই দিনটি আরও বিশেষ হয়ে থাকল মিমো ও সিতুলের জন্য। জাতীয় দলের জার্সিতে দুজন পূর্ণ করেছেন শততম ম্যাচ। ক্যারিয়ারের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শত ম্যাচে পৌঁছানোই ছিল বড় অর্জন; তার সঙ্গে যোগ হলো দলের জয়। হকিকে অবলম্বন করে দীর্ঘ পথচলার সেই মাইলফলক তাই পেল অন্যরকম রং।

দুই ম্যাচের বড় হারের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় বাংলাদেশের জন্য শুধু স্কোরবোর্ডের স্বস্তি নয়, আত্মবিশ্বাস ফেরানোরও সুযোগ। এশিয়ান গেমসে নিজেদের পরের লড়াইয়ে সেই আত্মবিশ্বাস কতটা কাজে লাগে, এখন সেটিই দেখার।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular