• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

লক্ষ্মীপুরের অবাধ্য ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন ইউপি সদস্য


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৪৩ পিএম
লক্ষ্মীপুরের ইউপি সদস্য
অবাধ্য ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগরে বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে নানা অপরাধ-অপকর্মে জড়িয়ে পড়ায় নিজের ঔরষজাত সন্তানকে ত্যাজ্য করলেন ইউপি সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সকালে লক্ষ্মীপুর জজকোর্টে নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে হাজির হয়ে তিনি বড় ছেলে মো. সাগর (২২) কে ত্যাজ্য ঘোষণা করেন। মো. সিরাজুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরলরেঞ্চ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

এ সময় ঘোষিত হলপনামায় মো. সিরাজুল ইসলাম উল্লেখ করেন, মো. সাগর তার ঔরষজাত ও স্ত্রী শারমিন আক্তারের গর্ভজাত ছেলে সন্তান হয়। সে পিতা-মাতার অবাধ্য হয়ে সমাজের অসৎ চরিত্রের লোকদের সাথে আড্ডা দিয়ে নিজের নৈতিক চরিত্রের অধ:পতন ঘটায়। এতে তার চাল-চলন আচার-ব্যবহার, কথা-বার্তায় ও পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দেওয়াসহ নানাবিধ কর্মকাণ্ডে সিরাজ দম্পতি মোটেও সন্তুষ্ঠ নয়।

ইতোমধ্যে সাগর নিজের ইচ্ছেমত অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে ও দুই সন্তানের বয়স্ক মহিলাসহ ৪টি বিবাহ করে।
কিশোর গ্যাং দলের সদস্যদের সাথে আড্ডায় লিপ্ত থাকে। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখীন হওয়ার আশংকা রয়েছে তার পরিবার। সিরাজসহ পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়স্বজন বহু চেষ্টা করেও তাকে সুপথে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।

এতে সামাজিকভাবে ব্যাপক হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছে সিরাজের পরিবার। এসব অন্যায় চরিত্র ও হত্যার হুমকিতে লক্ষ্মীপুর কোর্টে বাবা বাদী হয়ে ছেলে সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করে। আদালত তাকে জেলে পাঠায়। পরবর্তীতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে এ প্রতিশ্রুতি দিলে আপোষ শর্তে ছেলেকে জমিনে মুক্ত করে। জেল থেকে বের হয়ে পূর্বের ন্যায় আবারও বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে সাগর। পরে অতিষ্ঠ হয়ে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা দেন বাবা।

এ ঘোষণার পর ছেলে সাগরের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের জন্য সিরাজ কিংবা তার পরিবারের কোন সদস্য দায়ী থাকবেনা এবং তার সাথে সিরাজুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের আর কোন সম্পর্ক রইলনা বলে ১৪/৩/২০২৪ ইং তারিখের ৮৪নং এফিডেভিটের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়েছে।

কমলনগর উপজেলার চর লরেন্স ইউনিয়নের মেম্বার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছেলেকে পড়ালেখা ও ব্যবসাসহ সবরকম চেষ্টা করেছি প্রতিষ্ঠিত করতে কিন্তু সে সব কিছু নষ্ট করে বিপথগামী হয়ে গেছে। পরিবারে কেউ তার কাছে নিরাপদ নয়। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও দুই সন্তানের বয়স্ক জননীসহ ৪টি বিবাহ করেছে। সমাজে আমার সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে, তাই বাধ্য হয়ে সাগরেকে ত্যাজ্য করে দিয়েছি। আজ থেকে সে আমার সন্তান নয়।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image