• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

গৌরীপুরে কৃষকের মাঠে হাসছে সূর্যমুখী 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:১৭ পিএম
গৌরীপুরে কৃষকের
মাঠে হাসছে সূর্যমুখী 

শফিকুল ইসলাম মিন্টু, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা : ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মাঠে মাঠে হাসছে সূর্যমুখী ফুল। বসন্ত বিলাসে চারদিকের সবুজ মাঠে এ ফুল হলুদ আভার সৌন্দর্য ছড়িয়ে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করছে। 

সূর্যমুখী দর্শকদের হৃদয়ে দোল খেলে গেলেও এটি মূলত ফুল হিসেবে চাষ নয়। এর বীজ থেকে তৈল উৎপাদনের জন্য এ ফুলের চাষ করা হয়েছে। পাশাপাশি গো-খাদ্য হিসেবে খৈলও উৎপাদিত হয়। 

উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের রাস্তার পাশে কৃষকের পতিত জমিতে ফুটে আছে শত শত সূর্যমুখী ফুল। জানা যায়, কৃষি অধিদপ্তরের তৈলবীজ উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা নিয়ে বোকাইনগর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর গ্রামে ১২শতক জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেন স্থানীয় মৃত আছিম উদ্দিনের ছেলে কৃষক মোঃ আব্দুস সালাম। তিনি পৌর শহরের পানদোকানের ব্যবসা করেন। ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে জমিতে বীজ রোপণ করেন তিনি। কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সঠিক পরিচর্যায় গাছগুলো বড় হওয়ার সাথে সাথে ফুলে ফুলে ভরে গেছে সূর্যমুখীর ক্ষেতটি। যা দেখে মুগ্ধ কৃষক আব্দুস সালাম, লাভের স্বপ্ন দেখছেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে ফুল থেকে বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ফসলের মাঠে সবুজ গাছে হলুদ ফুল অপরূপ দৃশ্যের অবতারণা করেছে। সবুজ পাতার ভেতর থেকে বড় বড় হলুদ সূর্যমুখী ফুলগুলো মাথা উচুঁ করে প্রকৃতিতে নিজের সৌন্দর্য জানান দিচ্ছে। স্থানীয় দর্শনার্থীদের মাধ্যমে সূর্যমুখী ফুলের মাঠের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর দর্শনার্থী ও সৌন্দর্য পিপাসু মানুষ দল বেঁধে আসতে শুরু করেছে ফুলের মাঠ দেখতে। অনেকেই মাঠের ভিতরে ঢুকে শখ করে ছবি তুলেন। এতে করে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে কৃষককে।

কৃষকের ছেলে মোঃ ইয়াসিন মিয়া বলেন, ফুল দেখতে আসা দর্শনার্থীরা ক্ষেতে ঢুকে ছবি তুলতে গিয়ে অনেক সময় গাছ ভেঙ্গে ফেলে ও ফুল ছিঁড়ে নিয়ে যায়। এতে করে সূর্যমুখী ক্ষেতের ক্ষতি হয়ে যায়। 

কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, প্রথমবারের মতো কৃষি অফিসের সহায়তা নিয়ে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আশা করছি ভাল ফলন হবে। তবে সূর্যমুখীর তেল তৈরির যন্ত্র না থাকায় সরিষা বীজ ভাঙানোর যন্ত্রে সূর্যমুখীর তেল সংগ্রহ করতে হয়। এতে করে কাঙ্খিত তেল পাওয়া যায় না। 

উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার লিপি বলেন, আমাদের দেশে বেশিরভাগ তেল বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। এই আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষি সসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রণোদনা কার্যক্রমের আওতায় সূর্যমুখীর চাষ করা হচ্ছে। এবছর গৌরীপুর উপজেলায় ২একর জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমূখী চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখী ফুলের তেলে কোলেস্টেরল না থাকায় স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image