• ঢাকা
  • রবিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২২ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাচীনতম আমগাছে মুকুলের সমারোহ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:৩৮ পিএম
এই গাছটির ডালপালা দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ ফিট
ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাচীনতম আমগাছ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় ১০০ বছরের প্রাচীনতম সূর্য্যপরী আমগাছে মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে। আমের শাখায় শাখায় বাতাসে দোল খাচ্ছে সেই মুকুলদল। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। এ আমগাছটি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী সীমান্তে মন্ডুমালা গ্রামে অবস্থিত। ৩ বিঘা জমি জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে এই সূর্যপুরী আমগাছ।

উত্তরের শান্ত জনপদের নিরব সাক্ষী এই গাছটির ডালপালা দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ ফিট। গাছটির বয়স কত তা ঠিক করে বলতে পাড়ছেন না কেউ। তবে এলাকার বেশির ভাগ মানুষ এক মত যে প্রায় ১০০ বছরের কম নয়। বৃহৎ এ আমগাছটি প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে দেখার জন্য ছুটে আসছেন ।

গাছকে দেখেই ডালের উপরে ওঠে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে ছবি তুলছেন তারা। শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ দর্শনার্থীরাও গাছের ডালের উপরে উঠে ছবি তুলে মনের স্বাদ মিটানোর চেষ্টা করছেন। আর এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রশাসন বলছেন এ আমগাছটি যেহেতু  ব্যক্তিমালিকাধীন তারা চাইলে সেখানে পিকনক স্পষ্ট, রেস্ট হাউজ ও রেস্টুরেন্ট তৈরি করতে পারেন।  

আমগাছটি রংপুর থেকে দেখতে আসা নুসরাত তামান্না নামের শিক্ষার্থী বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অনেক দিন আগেই জানতে পারি যে এ জেলায় সবচেয়ে বড় আমগাছটি আছে। আজকে নিজ চোখে দেখা হল। তবে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত বলে আমি মনে করি। অনেকজনে শিশুসহ, মহিলারাও গাছের উপরে উঠছে এতে করে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজশাহী থেকে আসা রাগিব নুর রোহান নামে এক দর্শনার্থী বলেন,আমি ৭ ঘন্টা মোটর সাইকেল জার্নি করে এসেছি। আমি একটি ভিডিও দেখেছিলাম বালীয়াডাঙ্গীতে একটি বড় আমগাছ আছে। আজকে নিজের চোখে দেখে আমি বিমোহিত হয়েছি। আনন্দের পাশাপাশি যে বিষয়টি বলতে চাই যে, আমরা যারা অনেক দূর থেকে দেখতে আসি। এতদূর থেকে আসার পর অবশ্যই বিশ্রাম ও খাবারের প্রয়োজন। কিন্তু এখানে সেটি ব্যবস্থা নেই। এখানে একটি রেস্ট হাউজ, ভাল মানের রেস্টুরেন্ট এবং একটি মানসম্মত ওয়াসরুম স্থাপন করা জরুরি। এতে করে দর্শনার্থীরা উপকৃত হবে।

মালিকপক্ষের একজন মোল্লা সাহেব বলেন, এখানে জমির খাজনা, সরকারি ট্যাক্সের কারণে ভিতরে দর্শনার্থী প্রবেশ বাবদ বিশ টাকা নেওয়া হয়। এখানে বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও মানুষ মানেনা। আর গতবছরের চেয়ে এ বছর মুকুল অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে । গতবছর পঞ্চাশ মণ আম পেয়েছি। এ বছর যে হারে মুকুল আশা করছি তিনশ মণ আম পাব।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image