• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৯ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

বাছিরের ৮ ও ডিআইজি মিজানের ৩ বছরের কারাদণ্ড


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ ফেরুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:০১ পিএম
ডিআইজি মিজানের তিন বছরের
মিজান ও বাছির এর ছবি

নিউজ ডেস্ক:   ঘুষ লেনদেনের মামলায় দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক এনামুল বাছিরের ৮ বছরের এবং ডিআইজি মিজানের তিন বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

বুধবার বেলা সোয়া ১২ টার দিকে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় ঘোষণা করেন। এর আগে, বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে আলোচিত এই মামলার রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন দুই আসামি এনামুল বাছির ও ডিআইজি মিজান।

ডিআইজি মিজানকে দুইটি ধারায় তিন বছর এবং বাছিরকে পৃথক দুটি ধারায় ৮ বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেয় আদালত। একই সঙ্গে দুদকের সাবেক পরিচালক এনামুল বাছিরকে ৮০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডেরও আদেশ দেন বিচারক।

প্রসঙ্গত, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার থাকার সময় বিয়ে গোপন করতে ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ ওঠে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) হয়।

এরপর নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২০১৯ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। ওই বছরই ২৪ জুন সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এর অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন তৎকালীন দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। মামলার তদন্তকালে ডিআইজি মিজান অভিযোগ করেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে রেহাই দিতে এনামুল বাছির তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন।

এ অভিযোগ ওঠার পর বাছিরকে সরিয়ে দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শেখ মো. ফানাফিল্যাকে প্রধান করে তিন সদস্যের দলকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা ১-এ মামলাটি করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও তিনি। গত বছরের ১৯ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক শেখ ফানাফিল্যা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ওই বছরের ১৬ এপ্রিল আদালত দুই আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারের আদেশ দেন। এরপর গত ১৯ আগস্ট মামলার এক নম্বর সাক্ষী ও বাদি দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আইন ও আদালত বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image