• ঢাকা
  • শনিবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২১ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে মেয়েদের প্রথম জয়


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২:১৬ পিএম
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

নিউজ ডেস্ক:   নারী বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের মেয়েরা। বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশের পর থেকেই বাংলাদেশের আসল সুযোগ হিসেবে ধরা হচ্ছিল ১৪ই মার্চের ম্যাচটিকে। নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে তৃতীয় ম্যাচে এসে অধরা জয়ের দেখা পেল নিগার সুলতানার দল। হামিল্টনে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই সুযোগটি সত্যিই কাজে লাগালো টাইগ্রেসরা। পাকিস্তানকে ৯ রানে হারিয়ে তুলে নিলো বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়।

হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ২২৫ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান নারী দল।

প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেই প্রথম জয় পেয়ে গেলো বাংলাদেশ নারী দল। অন্যদিকে ওয়ানডে বিশ্বকাপে এ নিয়ে টানা ১৮ ম্যাচ হারল পাকিস্তান। সবশেষ ২০০৯ সালে বিশ্বকাপে জয়ের মুখ দেখেছিল তারা।

ম্যাচের তখনও তিন ওভার বাকি। টিভি পর্দায় দেখা গেল লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। নিউজিল্যান্ডে ওড়া ওই পতাকা যে বাংলাদেশের, সেটা বলার প্রয়োজন আছে বলে বোধ করি না। কেন উড়ছে? বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথম বিশ্বকাপ খেলছে তাসমান সাগর পাড়ে।

কিন্তু এই খোঁজটা ক’জন রাখেন! না রাখলেও অবশ্য কিছু আসে যায় না নিগার সুলতানাদের। আড়ালে থাকা মেয়েরা এবার আলোয় বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ জিতে।

এই জয় যেন ফিরিয়ে এনেছে ২৩ বছর আগের স্মৃতি। ছেলেদের বিশ্বকাপের প্রথম জয়টাও এসেছিল এই পাকিস্তানের বিপক্ষে। আকরাম খানরা জিতেছিলেন বিশ্বকাপের তৃতীয় ম্যাচে, নিগার সুলতানাদের বেলায়ও তাই। মিল আছে আরও। দুটি ম্যাচই টস হেরেছিল বাংলাদেশ, ম্যাচগুলো হয়েছে সোমবার।

বাংলাদেশের পক্ষে ইতিহাস লেখার শুরুটা করেছিলেন শারমিন সুলতানা ও শামিমা সুলতানা। এই দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে এসেছিল ৩৭ রান। শারমিন ৩০ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরত গেলে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

৬ চারে ৫৫ বলে ৪৪ রান করে হাফ সেঞ্চুরির আক্ষেপে পুড়েন আরেক ওপেনা র শামিমা। একই আক্ষেপে নিয়ে আউট হন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও। ৬৪ বলে তার ব্যাটে আসে ৪৪ রান। তবে বাংলাদেশের বড় ইনিংসের বড় কৃতিত্বটা ফারজানা হকের।

৫ চারে ১১৫ বলে ৭১ রান করেন তিনি। নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রান করে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের এটাই সবচেয়ে বড় সংগ্রহ। পাকিস্তানের পক্ষে ১০ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসরা সান্ধু।

বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল হতাশার। কোনো উইকেট না হারিয়েই ৯১ রান করে ফেলে পাকিস্তান। চিন্তা বাড়ে বাঘিনীদের। কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানো যে এই মেয়েদের নেশা। নাহিদা খানকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন রুমানা আহমেদ।

এরপর অধিনায়ক বিসমাহ মারুফকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের মুঠো থেকে ধীরে ধীরে ম্যাচ বের করে নিয়ে যাচ্ছিলেন সিদরা আমিন। মাঝে কয়েকটি সহজ ক্যাচ মিস শঙ্কা বাড়াচ্ছিল আরও বেশি। কিন্তু বিসমাহকে শারমিন আক্তারের ক্যাচ বানিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি দেন জাহানারা আলম। এরপর শুরু হয় উইকেট যাওয়ার মিছিল।

এর আগে টস হেরে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশের মেয়েরা। যা নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশ নারী দলের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আর বাংলাদেশের পক্ষে ফাহিমা খাতুন ৩টি ও রুমানা আহমেদ নেন ২ উইকেট।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

খেলা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image