• ঢাকা
  • বুধবার, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৫ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি বিকাশে সরকার সহায়তা দিচ্ছে : খাদ্যমন্ত্রী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০১:১৬ পিএম
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি বিকাশে সরকার সহায়তা দিচ্ছে 
খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার

নিউজ ডেস্ক : ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির বিকাশেও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার।

গতকাল নিয়ামতপুরের শিবপুরে ত্রিশুল কার্যালয়ে ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি বিকাশ ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, নানা উৎসব আর আন্দোলন নেতৃত্ব দান ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য। সেই নৃ- গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দেশ ও দেশের বাইরের মানুষের কাছে তুলে ধরতেই ত্রিশূলের যাত্রা। ত্রিশূল সে কাজটি ভালোভাবেই করছে। তিনি বলেন, তারা সমাজের মূল স্রোত থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছে এটা সত্য, তবে নতুন প্রজন্মের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা এখন এগিয়ে আসছে। এ সময় তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত হয়ে সমাজে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

ত্রিশলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য প্রকৌশলী তৃণা মজুমদারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদি হাসান,পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক। এছাড়া রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জয়া মারিয়া পেরেরা, নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ আহম্মদ, পোরশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ, সাপাহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাহজাহান চৌধুরী, নিয়ামতপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফারুক সুফিয়ান এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী ইসরাত জেরিন মিনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে ‘সোপার্জিত কৃষ্টির নীত’-স্লোগানে ২০১৯ সালে নিয়ামতপুর এলাকার ৩০ জন সাঁওতাল শিল্পী নিয়ে ‘ত্রিশূল’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন প্রকৌশলী ও নৃত্যশিল্পী তৃণা মজুমদার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নওগাঁর বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী গ্রামে বেশ কিছু সাংস্কৃতিক দল গড়ে তুলেছে ‘ত্রিশূল’। ত্রিশূলের কর্মীদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাঁওতাল ও উড়াও সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যাই বেশি। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ত্রিশূলের কর্মীরা তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি তুলে ধরছেন।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার কাজে ত্রিশূলের কর্মীরা নিয়োজিত। করোনা মোকাবিলার জন্য ত্রিশূলের কর্মীরা নিজ হাতে সেলাই করে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার মাস্ক বিতরণ করেছেন। এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ও গাছের চারা বিতরণ করেছেন তারা।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image