• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৮ জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

নরসিংদীতে দেশী-বিদেশি ফলাহার উৎসবে শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৫৯ পিএম
দেশী-বিদেশি ফলাহার উৎসবে শিক্ষার্থীরা
দেশী-বিদেশি ফলাহার উৎসব

নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশী ও বিদেশী ফল সম্পর্কে পরিচিতি ও ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ধারণা দিতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফল উৎসব করেছে পিনাকল চার্টার্ড স্কুল এন্ড কলেজ। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পিনাকল চার্টার্ড স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম তুহিনের সভাপতিত্বে উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. আবু মোহাম্মদ আজমল মোর্শেদ, নরসিংদী বিয়াম জিলা স্কুলের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফরিদ উদ্দিন, নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. রাসেল বিন হাসানাত ও নরসিংদী বিয়াম জিলা স্কুলের সহকারি শিক্ষক জহিরুল ইসলাম।

নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশ-বিদেশী ফল দেখলো, নাম জানা নেই ফলের। শিক্ষার্থীরা বাড়ী ও বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ফল সংগ্রহ করে ক্যাম্পাসে স্টলে সাজিয়ে রাখে। এতে তাদের ভেতরে একধরনের আনন্দ অনুভব হয়। এবছর শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকরা রকমারি দেশীয় ফলের পাশাপাশি বিদেশী ফলও তাদের স্টলে সাজিয়ে রাখে। দেশ-বিদেশী ৮৫ প্রজাতের ফলের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচিতি ও ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানাতে পিনাকল র্চার্টাড স্কুল এন্ড কলেজ নরসিংদী শাখার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘ফল উৎসব’ আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

নরসিংদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ফলের মৌসুমে ক্যাম্পাস জুড়ে নানা জাতের ও স্বাদের ফলে সমাহার। বাজারে এসব ফল পাওয়া গেলেও ক্যাম্পাসের ফলের সঙ্গে শিক্ষার্থীর এক আত্মিক বন্ধনে বাঁধা। এই ফল উৎসব থেকে ফলের পরিচিতি ও ফলের গুনগত মান সর্ম্পকে জানবে শিক্ষার্থীরাও।

পিনাকল র্চার্টাড স্কুল এন্ড কলেজ নরসিংদী শাখার অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম তুহিন বলেন, গ্রামের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করলে সে টানা বিভিন্ন দেশীয় ফলের নাম বলতে পারবে এবং সে দেখলে বলতে পারবে কোনটা কোন ফল। কিন্তু শহরের একজন শিক্ষার্থীর এতসব ফলের সাথে পরিচয় নেই। তাই আমাদের এই ফল উৎসবের আয়োজন। ফল উৎসবে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, চালতা, কামরাঙা, জলপাই, মন্ডল, পেঁপে, তাল, কদবেল, নারিকেল, বেতফল, অরবড়ই, দেশীয় খেজুর ও বিদেশী ফলসহ ৮৫ প্রজাতের ফল স্থান পায়। ফল উৎসবে ৭টি স্টল নিয়ে শিক্ষার্থী'রা এ ফল উৎসবের মেতে উঠে।

ফল উৎসবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে ৭টি ফল প্রদর্শনীর স্টল দেয়া হয়। উৎসবে স্টলগুলোতে দেশী ও বিদেশী ৮৫ প্রজাতের ১৩০ রকমের ফল প্রদর্শনী করা হয়। এসময় স্টল ঘুরে ঘুরে ফলের প্রদর্শনী দেখেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ উৎসব দেখতে আসা দর্শনার্থীরা। প্রদর্শনী শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

ঢাকানিউজ২৪.কম / বোরহান মেহেদী/কেএন

উৎসব / দিবস বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image