• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০১ ফেরুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াসা এমডির ১৪ বাড়ির অনুসন্ধানের নির্দেশ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০২:১০ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াসা এমডির ১৪ বাড়ির অনুসন্ধানের নির্দেশ
হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক : ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের যুক্তরাষ্ট্রে  ১৪ বাড়ির দুর্নীতির বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, তা ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানের দুর্নীতি বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) জোর অনুসন্ধান করতে বলেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের দ্বৈত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। এদিন তাকসিম এ খানের যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বাড়ি বিষয়ে গণমাধ্যমের সংবাদ প্রচারের পর আদালতের নজরে আনেন দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

দুদক আইনজীবী বলেন, বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। অনেক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ভাড়া বাসায় থাকেন; অথচ ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার অভিযোগ।

ঢাকা ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খান যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক শহরে কিনেছেন এসব বাড়ি। সব বাড়ির দাম টাকার অঙ্কে হাজার কোটি ছাড়াবে। দেশ থেকে অর্থ পাচার করে তিনি এসব বাড়ির মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি কেনার অর্থের উৎস ও লেনদেন প্রক্রিয়ার তথ্য তালাশে নেমেছে ইন্টারপোলসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।

আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বাড়ি কেনা এবং অর্থ পাচারকারী হিসেবে তাকসিম এ খানের নাম থাকা নিয়ে সম্প্রতি দুটি অভিযোগ জমা পড়েছে দুদকে। এতে কিছু বাড়ির সুনির্দিষ্ট ঠিকানা, ছবি, কোন বাড়ি কখন, কত টাকায় কেনা - তা উল্লেখ করা হয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) ‘গভর্নমেন্ট ওয়াচ নোটিশ’-এর একটি কপি অভিযোগের সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, বিদেশি ঋণে করা ওয়াসার বড় বড় প্রকল্প থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে তা হুন্ডিসহ বিভিন্ন উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছেন ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান। পাচারের অর্থে দেশটির লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরের অভিজাত এলাকায় নগদ ডলারে ১৪টি বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছেন তিনি।

আরও বলা হয়, তাকসিম এ খান যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিক। তিনি ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় ঢাকা ওয়াসার এমডি হিসেবে যোগ দেন। তার পরিবারের সব সদস্য যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। তাকসিমও প্রতিবছরে প্রায় তিন মাস যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করেন। একসময়ের ভাড়াটিয়া তাকসিম লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো অভিজাত শহরে বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছেন। এ খবর ওই শহরের বাঙালি কমিউনিটিতে এখন সবার মুখে মুখে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এমডির দায়িত্বে থেকে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির টাকায় যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বাড়ি কিনেছেন তাকসিম এ খান। অথচ দেশে তার কোনো সম্পত্তি নেই। তিনি গুলশানে সরকারি বাসভবনে থাকেন না। নয়াপল্টনে তিনি তার শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। তার কিছু বাড়ির তথ্য-প্রমাণ এরই মধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকিগুলোর তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আইন ও আদালত বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image