• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

বরেণ্য গীতিকবি নজরুল ইসলাম বাবুর প্রয়াণ বার্ষিকী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:৩৭ পিএম
মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় বসবাস করবেন সযত্নে। 
নজরুল ইসলাম বাবু

জাকির হোসেন আজাদী: " সব কটা জানালা খুলে দাও না’, ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’, ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’, ‘পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই’, ‘দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা বন্ধু চিরকাল’, ‘কথা বলব না বলেছি, শুনব না শুনেছি’, ‘কাঠ পুড়লে কয়লা হয় আর কয়লা পুড়লে ছাই’, ‘পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই’, ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’। এসব অমর গানের রচয়িতা প্রখ্যাত গীতিকবি নজরুল ইসলাম বাবুর প্রয়াণ দিন আজ। তিনি ১৯৯০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

যেসব বরেণ্য গীতিকবিগণ তাদের অসাধারণ অনবদ্য গান দিয়ে আমাদের সঙ্গীত ভূবনকে করেছেন ঋদ্ধ সমৃদ্ধ আলোকিত তাদের মধ‍্যে অন‍্যতম একটি নাম নজরুল ইসলাম বাবু। যতকাল এই দেশ মাটি মানুষ থাকবে ততদিন তাঁকে হারানো যাবেনা ভোলা যাবেনা। তিনি কাল থেকে কালান্তরের বাংলা ভাষা ভাষী মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় বসবাস করবেন সযত্নে। 

বাবু আরও রচনা করেছেন  ‘আমার মন কান্দে ও আমার প্রাণ কান্দে’, 'ডাকে পাখি খোলো আঁখি',  `কাল সারা রাত ছিল স্বপ্নের রাত', ‘নীল চাঁদোয়া’, ‘মনে হয় হাজার বছর দেখি না তোমায়’, ‘আমি বৃষ্টিতে ভেজা রজনীগন্ধ্যা’, ‘হায় রে স্মৃতি বড় জ্বালাময়’, ‘আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে’-এর মত কালজয়ী অমর গান।

তিনি ১৯৭৩ সালে  বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে গীতিকার হিসাবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর একে একে লিখতে থাকেন দারুণ সব গান, যার মধ্যে ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং "একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার" অন্যতম। "সবকটা জানালা খোলে দাওনা" গানটি তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন এর খবর এবং বিভিন্ন সৃজনশীল অনুষ্ঠানের সূচনা সঙ্গীতে ব্যবহৃত হত।পরবর্তীতে এই গানটি পরিচালক কাজী হায়াৎ ১৯৯২ সালে সিপাহী ছবির টাইটেলেও ব্যবহার করেছিলেন। 

এই গানটি ছাড়াও নজরুল ইসলাম বাবু’র লেখা  দেশাত্মবোধক গানগুলোও আজও বিভিন্ন জাতীয় দিবসে গাওয়া হয়। কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা খানের কণ্ঠে ‘দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা’ গানটিও নজরুল ইসলাম বাবুর লিখা। তিনি বাংলাদেশ গীতিকবি সংসদের প্রথম কার্যনির্বাহী পরিষদ (১৯৭৮-৭৯) এর সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

তিনি ১৯৭৮ সালে সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সাথে তিনি প্রথম চলচ্চিত্রে গান লিখতে শুরু করেন ।

তিনি দুই পয়সার আলতা (১৯৮২), মহানায়ক (১৯৮৫), শুভদা (১৯৮৬), প্রতিরোধ, উসিলা, পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৯০), প্রেমের প্রতিদান চলচ্চিত্রের গানের কথা লিখেছেন। বাংলাদেশের সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সুবীর নন্দী, এন্ড্রু কিশোরের পাশাপাশি ভারতের কুমার শানু, আশা ভোঁসলে, হৈমন্তী শুক্লার মতো উপমহাদেশের জনপ্রিয় ও কিংবদন্তি  শিল্পীরাও তাঁর লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।

আজ প্রয়াণ দিবসে তাঁর অমর স্মৃতির প্রতি অসীম শ্রদ্ধা জানাই। আল্লাহ্ তাঁকে বেহেশত নসিব করুন, আমীন।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

স্মরণীয় ও বরণীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image